
আনোয়ারা (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি
অতিথি পাখি বিলুপ্ত হওয়ার পিছনে মূলত মানুষের সৃষ্ট কারণ,যেমন জলাভূমি নদী বিল ভরাট করা এবং বন জঙ্গল খনন করে মিল কারখানা তৈরী করায় পাখিরা মারাত্মকভাবে খাদ্য ও আবাসস্থলের সংকটে পরে যায়,আরো কত লোভী শিকারীরা নির্বিচারে শিকার করে এবং বিষাক্ত কীটনাশকের ব্যাবহার,বিশেষ করি গ্রামগঞ্জে ঝাড়জঙ্গল আর আগের মতন থাকছেনা,এবং বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তন এর ফলে প্রাকৃতিক বাসস্হান ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে, ফলে পাখির বাসা তৈরী ও ডিম্বছানা ফোঠানো অসম্ভব হইয়া পরে তাতে (পারযায়ী পাখি)বা অতিথি পাখি প্রায় বিলুপ্তির হয়ে যাচ্ছে, প্রতি বছর শীতকালে হাজার হাজার কিলোমিটার পথ পাড়িদিয়ে আসা এইসব পাখির নিরাপদ আবাসস্থল বা খাদ্য সংকট বলে তাদের সংখ্যা আশন্কাজনক হারে কমতেছে তাতে জলভূমি বনভূমি স্হলভূমি মোটামুটি প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষা করতে জনসাধারণের মধ্যে বিশেষভাবে সচেতনতা বৃদ্ধি করার বিকল্প নাই,এই পাখি সবার পছন্দের একটা প্রাণী,এমনকি পাখি পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় অসামান্য ভূমিকা রাখে,পাখির কিচিরমিচির ডাকে মানুষ মনোমুগ্ধ হয়ে যায়,বনফল থেকে শুরু করে বিভিন্ন বৃক্ষের ফল খেয়ে বিভিন্ন স্হানে তার বিষ্টা মাটিতে ত্যাগ করে,সেই বিষ্টায় রকমারী ফলের বীজ আছে বলে পূনরায় রকমারী গাছের জন্ম হচ্ছে,সেই বৃক্ষের আবার অক্সিজেন দানে প্রানীকূলকে রক্ষা করতেছে।সুতরাং এই পাখির অবদান অনস্বীকার্য।